খুঁজুন
সোমবার, ১৫ জুলাই, ২০২৪, ৩১ আষাঢ়, ১৪৩১

মকসুদপুরের পৌর চেয়ারম্যান ব্যক্তি মালিকানা জায়গা দখল করে মার্কেট নির্মান অভিযোগ উঠেছে 

এ.জেড আমিনুজ্জামান রিপনঃ
প্রকাশিত: শনিবার, ৬ এপ্রিল, ২০২৪, ১:০২ এএম
মকসুদপুরের পৌর চেয়ারম্যান ব্যক্তি মালিকানা জায়গা দখল করে মার্কেট নির্মান অভিযোগ উঠেছে 

গোপালগঞ্জ জেলার মকসুদপুরে উপজেলার সদর পৌরসভার দক্ষিন চন্ডিবরদী এলাকার পাইলট স্কুলের পাশে ব্যক্তিগত পৈত্রিক সম্পত্তি জোর দখল করে মার্কেট নির্মান করছেন মকসুদপুর পৌরসভার চেয়ারম্যান অশ্রাফুল আলম শিমুল মিয়া ও তাকে সহযোগিতা করছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এস এম ইমাম রাজী টুলু অভিযোগ করলেন জায়গার প্রকৃত মালিক মৃত আজিজুর রহমানের ছেলে তৌহিদুর রহমান সর্দার।

এ ব্যপারে জায়গার মালিক ভুক্তভোগী তৌহিদুর রহমান বলেন, এই জায়গার পৈত্রিক সূত্রে প্রকৃত মালিক আমার বাপ-দাদারা সেই সূত্রে আজ আমরা মালিক। আমাদের এই সম্বলটুকুর উপর নজর পড়েছে শকুনীদের। তিনি আরো বলেন, এই জায়গায় আমাদের স্থাপনা রয়েছে বহুবছর ধরে। এই স্থাপনা ভাংগা ঠেকাতে আসলে আমরা বাঁধা দিলে মকসুদপুর সদর পৌরসভার চেয়ারম্যান আমাদেরকে পিস্তলের সব গুলো বুলেট আমাদের উপর ব্যবহার করবে বলে ভয় ভীতি প্রদর্শন করেন। আমাদের এই সম্পত্তির আরএস ৫৮ নং দক্ষিন চন্ডিবরদী মৌজার আরএস ৬৩ নং এসএ ৬৭ নং খতিয়ানের ৫৭৪ নং দাগের ৭০ শতাংশ জমির কর্ডীয় মালিক থাকেন আজাহার সর্দার পিং খালাসী সরদার গং। ৫৭৪ নং দাগের ৭০ শতাংশ জমি সরকার বাহাদুর টেংরাখোলা হাটবাজারের জন্য এলএ ৩৯/৬৩-৬৪ নং এলএ কেসে অধিগ্রনের প্রস্তাব করা হয়। কিন্তু সরকারের ফান্ডে টাকা না থাকায় সরকার বাহাদুর রেকর্ডীয় মালিকদের ক্ষতিপূরণের টাকা প্রদান করতে ব্যর্থ হওয়ায় ২০/০৮/১৯৮২ তারিখের চিঠিতে তৎকালীন এলএ কর্মকর্তা অধিগ্রহণ আদেশ বাতিল করে আমার বাবা-চাচাদের নিকট ফেরত প্রদানের আদেশ দেন।

ইতিমধ্যে রেকর্ডীয় মালিক আজাহার সরদার ৬ পুত্র ৪ কন্যা ওয়ারিশ রেখে মৃত্যুবরণ করেন। কিন্তু হাটবাজার কর্তৃপক্ষ অধিগ্রহণকৃত জমি অবৈধভাবে দখলের চেষ্টা করলে আজাহার সরদার এর ২ পুত্র আজিজুর রহমান ও ওলিয়ার রহমান বিজ্ঞ দেওয়ানী আদালতে ৪৪/৮৯ নং মোকদ্দমা রুজু করেন। উক্ত মামলায় ২৫/০৩/৯১ তারিখ আমার বাপ চাচাদের পক্ষের অনুকূলে ডিক্রি হয়। সরকার বাহাদুর ৩৬/২০০৪ নং আপিল মোকদ্দমা রুজু করেন। আপিল মোকদ্দমায় সরকার বিপক্ষে রায় হয় ও ৪৪/৮৯ নং মামলার রায় ও ডিক্রি বহাল থাকে। পরবর্তীতে সরকার মহামান্য হাইকোর্টে সিভিল রিট মোকদ্দমা রুজু করেন। মহামান্য হাইকোর্ট বিজ্ঞ জেলা জজ কোর্টকে পূনবিচারের নির্দেশ প্রদান করেন। পূণর্বিচারেও পূর্ববর্তী রায় বহাল থাকে। আমরা উক্ত রায়ের ভিত্তিতে নালিশি জমিতে শান্তিপূর্ণভাবে দখলে থেকে বিভিন্ন স্থাপনা নির্মান করে বসবাস করি। কিন্তু বিবাদীপক্ষ পুনরায় ২৮/০২/২০০৫ তারিখ উচ্ছেদ এর জন্য নোটিশ প্রদান করলে আমি ৪০/২০০৫ নং স্থায়ী নিষেধাজ্ঞার জন্য মোকদ্দমা রুজু করি। উক্ত মোকদ্দমায় দোতরফা সূত্রে ০৮/০২/২০০৬ তারিখ বিবাদীদের বিরুদ্ধে স্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আদেশ হয়। বিবাদীপক্ষ ২৩/২০০৬ নং আপিল মোকদ্দমা দায়ের করেন। আপিল মোকদ্দমা দোতরফা সূত্রে নামঞ্জুর হয় ও ৪০/২০০৫ মোকদ্দমার রায় ও ডিক্রি বহাল থাকে। ইতিমধ্যে হাল রেকর্ড শুরু হলে আরএস ৫৭৪ দাগের ৭০ শতাংশ জমির মধ্যে হাল ১৩২ দাগে ০১.২৫ শতাংশ ও ১৬৪ দাগে ০৬.৮২ শতাংশ মোট ০৮.০৭ শতাংশ জমি আমার বাবা আজিজুর রহমানের নামে ৬০৭ খতিয়ানে শুদ্ধ রেকর্ড হয়।

ইতিমধ্যে আমার বাবা মৃত্যুবরণ করলে আমি এ জমি ওয়ারিশ সূত্রে প্রাপ্ত হই ও ভোগদখলে আছি। এ জমি ২২/৩/২০২০ তারিখের K-২০৭৬৬৭ নং দাখিলায় বাংলা ১৪২৬ সাল পর্যন্ত খাজনা পরিশোধ করি। নিয়মিত খাজনা পরিশোধ করা স্বত্বেও মুকসুদপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ২১/০১/২০২৪ ইং তারিখ ৬৪ নং স্মারকে আমাদের স্থাপনা উচ্ছেদ এর জন্য নোটিশ প্রদান করেন। আমরা ২৪/০১/২০২৪ ইং তারিখ উচ্ছেদ এর বিষয়ে উপরোক্ত তথ্যাদির ভিত্তিতে জবাব দাখিল করলে আদালতের সমস্ত কাগজকে ভুয়া ও ভিত্তিহীন বলে দাবী করে আমাদের দাবিকে অগ্রাহ্য করেন। এব্যপারে আমি বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার কাছে আপনাদের মাধ্যমে আবেদন করছি য্হাতে আমি আমার বাপ দাদার সম্পত্তি ফিরে পাই।

এ ব্যপারে মকসুদপুর সদর পৌরসভার মেয়র আশ্রাফুল আলম (শিমুল মিয়া) কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এই জায়গাটা সরকারের খাস খতিয়ানের “ক” তফসিলের জায়গা। ওখানে বহু বছর ধরে একটি সেট করা ছিল। ৫০ বছর তার কোনো স্থাপনা নির্মাণ করে নাই। সরকার যখন কাজ শুরু করেছে এখন বাঁধা দিচ্ছে। সরকারের নামে বিআরএস রেকর্ড রয়েছে ওটা তাদের নামে সংশোধন করে আনলে আমি সঙ্গে সঙ্গে ভেঙ্গে দেব।

এ ব্যপারে মকসুদপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এস.এম ইমাম রাজী টুলুর নিকট জানতে চাইলে তিনি বলেন, ঐ জায়গাটা সরকারের খাস জমি, জায়গা উপরে আগে থেকেই সেড ছিল। বাজারের জায়গাটি পৌরসভার অধীনের হস্থান্তরিত।এলাকার মানুষের দীর্ঘ্য দিনের চাহিদা কারণে প্রাণী সম্পদ মন্ত্রণালয় এই বাজারের কাজটি করে দিচ্ছে।এখন কাজ শেষের পথে। তৌহিদ নামে একজন ঐ জায়গার মালিক দাবি করে জায়গায় উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করে। তার এই জমি সে বলছে, কাগজ-পাতিতে কোন প্রমাণ আমরা পাই নাই।

রাজশাহীতে এটিএন বাংলার সাংবাদিক সুজাউদ্দিন ছোটন বিরুদ্ধে হয়রানী মূলক মামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ

রাকিবুল হাসান আহাদঃ
প্রকাশিত: সোমবার, ১৫ জুলাই, ২০২৪, ৭:১৬ পিএম
রাজশাহীতে এটিএন বাংলার সাংবাদিক সুজাউদ্দিন ছোটন বিরুদ্ধে হয়রানী মূলক মামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ

রাজশাহীর সিনিয়র সাংবাদিক এটিএন বাংলার স্টাফ রিপোর্টার সুজাউদ্দিন ছোটনকে ফাসানোর জন্য চাদাবাজি ও যৌন হয়রানির মিথ্যা ঘটনা সাজিয়ে পরিকল্পিতভাবে ১০ জুলাই রাত সাড়ে আটটায় চাঁদাবাজি মামলা এবং রাত সাড়ে নয়টায যৌন হয়রানির মিথ্যা মামলা করেছে বলে জানা গেছে ।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায় আলোচিত এই দুই মামলার মধ্যে চাঁদাবাজির মামলার বাদী নগরীর কুখ্যাত সুদ কারবারি, একাধিক চাঁদাবাজি ও সাইবার ক্রাইম অপরাধ মামলার আসামি আয়েশা আক্তার লিজা, তার
বিরুদ্ধে সাবেক একজন সংসদ সদস্যকে ব্ল্যাকমেইল করে বিপুল অর্থ সম্পদ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। এছাড়াও সুদের টাকা খাটিয়ে সাদা স্ট্যাম্প ও ব্ল্যাংক চেকের খপ্পরে ফেলে কৌশলে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে এই নারী। টাকা না পেলে আদালতে মামলা ঢুকে দিচ্ছেন। অন্তত ৩০ জন ব্যক্তি লিজার কাছ থেকে সুদে টাকা নিয়ে মামলার আসামি হয়ে এখন আদালতের বারান্দায় ঘুরছেন।

অপর মামলাটির বাদী সাংবাদিক পরিচয় দানকারী তাজমিরা তাবাসসুম নামের এক নারী। তিনি যৌন হারানির মিথ্যা মামলা করে বিভিন্ন লোকজনের কাছ থেকে মোটা অংকের অর্থ হাতিয়ে নেন বলে অভিযোগ রয়েছে। গতবছর এই নারীর দায়ের করা যৌন নিপীড়ন মামলায় আরো কয়েকজন সাংবাদিক আসামী হিসেবে এখনো আদালতের বারান্দায় ঘুরছেন। তাসমিরা তাবাসসুমের বাড়ি নগরীর চন্দ্রিমা থানা এলাকার ভদ্রা জামালপুর বলে জানা যায়।

এসকল নারীদের সাথে থানা পুলিশের সখ্যতা রয়েছে বলে পেশাদার সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে অভিযোগ নিয়ে হয়রানি করার একাধিক অভিযোগ উঠেছে।

বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ইউনিয়ন (বিএমইউজে) এর কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সভাপতি আলহাজ্ব সোহেল আহমেদ সাধারণ সম্পাদক শিবলী সাদিক খান ঘটনার বিস্তারিত জেনে বিষ্ময় প্রকাশ করে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে দ্রুত সাজানো ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিলের আহবান জানিয়েছেন।

গোহালকাঠীর রাস্তার বেহাল দশা; দেখার কেউ নেই

রিয়াদ গাজী,ঝালকাঠি প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: সোমবার, ১৫ জুলাই, ২০২৪, ৩:৪৯ পিএম
গোহালকাঠীর রাস্তার বেহাল দশা; দেখার কেউ নেই

দীর্ঘদিন ধরে সংস্কার না হওয়ায় ঝালকাঠি জেলার নলছিটি উপজেলার দপদপিয়া ইউনিয়নের গোহালকাঠী গ্রামের একমাত্র রাস্তার অবস্থা বেহাল। এতে চলাচলে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন গোহালকাঠী গ্রামের হাজারো মানুষ।

জানা যায়, উপজেলার দপদপিয়া ইউনিয়নের নরউত্তমপুর-গোহালকাঠী প্রধান সড়ক গোহালকাঠী থেকে ভোটকেন্ড পর্যন্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা। গোহালকাঠি গ্রামের বাসিন্দাদের একমাত্র রাস্তা। প্রায় ২০ বছর আগে৷ রাস্তায় ইট বিছানো হয়েছিল। কিন্তু এখন বেশিরভাগ ইটই মাটি থেকে উঠে খানা-খান্দ সৃষ্টি হয়েছে। ফলে অল্প বৃষ্টি হলেই এ রাস্তা দিয়ে আর চলাচল করা যায় না।

সরেজমিন গিয়ে দেখা গেছে, এ রাস্তার ইট উঠে গিয়ে ছোট-বড় খানাখন্দে পরিণত হয়েছে। অনেক জায়গায় রাস্তার দু’ধারের মাটি সরে গিয়ে রাস্তাগুলো ভেঙে পড়েছে। ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা, ভ্যানগাড়ি ও মোটরসাইকেল আরোহীদের দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। সামান্য বৃষ্টিতেই রাস্তাগুলো ডুবে কাঁদা সৃষ্টি হয়। যার ফলে এ রাস্তা দিয়ে আর চলাচল করা যায় না।

অটোচালক হানিফের বাড়ি গোহালকাঠী। অটো চালিয়েই চলে তার সংসার। রাস্তা নিয়ে তার অভিযোগ, উপজেলার কত রাস্তা ঠিক হচ্ছে, কিন্তু আমাদের রাস্তা হচ্ছে না। মাঝে মধ্যে মনে হয় আমরা এ দেশের জনগণ না। তিনি আরও বলেন, ভাঙা রাস্তার কারণে অটো বেশিরভাগ সময়ই টেনে নিতে হয়।

সুমন মিয়া, রিয়াদ গাজী, কুদ্দুস খান, জাকির হাং সহ স্থানীয়রা জানায়, গোহালকাঠী গ্রামের বাসিন্দাদের একমাত্র রাস্তা হলো এটি। আমাদের দুর্ভোগের শেষ নেই। প্রায় ২০বছর পূর্বে এ রাস্তাটিতে ইট বিছানো হয়েছিল। কিন্তু এখন পর্যন্ত রাস্তাটি আর পাকা হয়নি। দুঃখের বিষয় গত তিন বছর ধরে রাস্তার বিভিন্ন অংশের ইট সরে গিয়ে গর্ত সৃষ্টি হয়েছে। যার ফলে একটু বৃষ্টি হলেই রাস্তাটি চলাচলের অনুপযুক্ত হয়ে পরে। এমনকি গ্রামের মধ্যে রিক্সাওয়ালারাও আসতে চায় না।

এ বিষয়ে দপদপিয়া ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বার সুজাত শিকদার বলেন, এই মুহূর্তে কোনো বরাদ্দ না থাকায় রাস্তাটি কবে নাগাদ ঠিক করা হবে তা সঠিকভাবে বলা যাচ্ছে না। তবে আমাদের মাথায় আছে। স্থানীয়দের দাবি বর্তমান উন্নয়ন বান্ধব সরকারের কাছে আবেদন জানাই অতি দ্রুত রাস্তাটি যেন সংস্কার করা হয়।

কোটা বৈষাম্যের বিরুদ্ধে সিলেটে শিক্ষার্থীদের ১ দফা আন্দোলন

সিলেট প্রতিনিধি মোঃ ফখর উদ্দিনঃ
প্রকাশিত: রবিবার, ১৪ জুলাই, ২০২৪, ৯:২৪ পিএম
কোটা বৈষাম্যের বিরুদ্ধে সিলেটে শিক্ষার্থীদের ১ দফা আন্দোলন

সকল গ্রেডে অযৌক্তিক ও বৈষাম্যেমুলক কোটা বাতিল করে সংবিধানে উল্লিখিত অগ্রসর গোষ্ঠী ও বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন (প্রতিবন্ধীদের) জন্য কোটাকে ন্যূনতম পর্যায়ে এনে সংসদে বিল পাস করার দাবি জানিয়েছেন শিক্ষার্থীরা।

সিলেটে সাধারণ শিক্ষার্থীদের আয়োজনে ১৪ জুলাই রবিবার সন্ধ্যা ৭টায় নগরীর চৌহাট্টাস্থ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার থেকে মশাল মিছিল বের হয়ে নগরীর প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে কোর্ট পয়েন্টে এক বিক্ষোভ সমাবেশে মিলিত হয়।

এম.সি কলেজের শিক্ষার্থী তানজিনা বেগমের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় সাকিব আহমদ, এম.সি কলেজের আয়শা আক্তার, লিডিং ইউনিভার্সিটির বুশরা সুহাইল, সিলেট সরকারি কলেজের সানি, সরকারি মদনমোহন কলেজের আল মাহমুদ, রাজু আহমদ, মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সির মাশরুখ জলিল প্রমুখ সহ সিলেট বিভিন্ন কলেজ ও বিশ^বিদ্যালয়ের শিক্ষাবৃন্দ।
সমাপনী বক্তব্যে মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সির শিক্ষার্থী তারেক আহমেদ বলেন, কোটা সংস্কারের ১ দফা দাবি আদায়ের লক্ষ্যে আমরা সিলেটের জেলা প্রশাসক শেখ রাসেল হাসানের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতি বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করেছি। স্মারকলিপিতে সংসদে জরুরি অধিবেশন ডেকে সরকারি চাকরির সকল গ্রেডে শুধুমাত্র পিছিয়ে পড়া/ অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর জন্য ন্যূনতম (সর্বোচ্চ ৫ শতাংশ) আইন পাস এবং দেশের বিভিন্ন জায়গায় আন্দোলন কালে যে মামলা করা হয়েছে তা তুলে নেয়ার দাবী জানানো হয়েছে। আমাদের দাবী আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে।

বিক্ষোভ সমাবেশে উপস্থিত শিক্ষার্থীরা তাদের বক্তব্যে বলেন, আমাদের সর্বজনশ্রদ্ধেয় মুক্তিযোদ্ধারা যুদ্ধে অংশগ্রহণকালে ব্যক্তিগত কোনো সুবিধা চেয়েছিলেন কিনা জানিনা। দেশ স্বাধীন করার পর স্বাভাবিক নাগরিক সুবিধা ব্যতিরেকে বাড়তি কোনো সুবিধা চেয়েছিলেন, এমনটি কোথাও পাই নি আমরা। এমনকি জীবিত আছেন এমন হাতেগোনা মুক্তিযোদ্ধারাও বাড়তি সুবিধা দাবি করছেন, এমন কিছু শুনছিও না আমরা। আমরা ইতিহাস পড়ে, জেনে, শুনে এতটুকু নিশ্চিত যে, এ ভূ-খন্ডের উপর তৎকালীন পাকিস্তান সরকারের করা নানান সীমাহীন বৈষম্য আর অন্যায়ের বিরুদ্ধে ওনারা যুদ্ধে গিয়েছেন, জীবনবাজি রেখে স্বাধীনতা এনে দিয়েছেন। আমরা তাদের সম্মান করি, তাদের যেকোনো সময়ের অসচ্ছলতা, অসুস্থতা, দুর্বলতার প্রেক্ষিতে সহযোগিতার হাত বাড়াতে চাই, তাদের পরিবারের পাশে দাঁড়াতে চাই। বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন সরকার তাদেরকে ও তাদের পরিবারের পাশে থেকেছে, বিপদে-আপদে সহযোগিতা করছে। বর্তমান সরকারের আমলে মুক্তিযোদ্ধা ভাতা আরও সম্মানজনক অবস্থানে এসেছে। চিকিৎসা সহ জীবনধারণের প্রয়োজনে বাড়তি আরও সুবিধা সংযুক্ত হয়েছে।

এমতাবস্থায়, চাকরিতে মুক্তিযোদ্ধা কোটা কিসের প্রেক্ষিতে, কোন স্বার্থে? এখন না মুক্তিযোদ্ধারা চাকরির প্রতিযোগিতায় নামবে, না তার ছেলেমেয়েরা চাকরিতে প্রতিযোগিতা করবে? ৩য় প্রজন্ম তথা নাতি-পুতিদের জন্য কোটাকে ‘মুক্তিযোদ্ধা কোটা’ নাম দেওয়া কি আদৌ মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য সম্মানজনক দেখায়? এটাকে ‘মুক্তিযোদ্ধা কোটা’ বলে মুক্তিযোদ্ধাদের করুণা/ দীন-দক্ষিণার পাত্র না করে কষ্ট করে ‘নাতি-পুতি কোটা’ নামে প্রচার করুন। এতে আমাদের মুক্তিযুদ্ধ আর মুক্তিযোদ্ধারা অসম্মানের হাত থেকে রেহাই পাবে অন্তত।

এই অস্বাভাবিক কোটা ব্যবস্থা কত প্রজন্ম পর্যন্ত, কত বছর পর্যন্ত চলবে? এই কোটা কি এখন বৈষম্যের পর্যায়ে চলে যায়নি? এই কোটা ব্যবস্থার আড়ালে কি এখন অযোগ্য, অথর্বরা বাড়তি সুবিধা পাচ্ছে না? আমরা সিলেটের সাধারণ শিক্ষার্থীরা সবসময় বৈষম্যমূলক কোটার বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছি। ১৮ তে আমরা ছিলাম, ২৪ সালেও আমরা রাজপথে আছি ইনশাআল্লাহ। এই দেশে সরকারী চাকরির ক্ষেত্রে কোনো বৈষম্য থাকবে না। আমরা এবং আমাদের পরবর্তী প্রজন্ম তাদের বাপ দাদার কোটায় চাকরী নয় তারা যেনো মেধার ভিত্তিতে চাকরী পায়।

রাজশাহীতে এটিএন বাংলার সাংবাদিক সুজাউদ্দিন ছোটন বিরুদ্ধে হয়রানী মূলক মামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ গোহালকাঠীর রাস্তার বেহাল দশা; দেখার কেউ নেই কোটা বৈষাম্যের বিরুদ্ধে সিলেটে শিক্ষার্থীদের ১ দফা আন্দোলন সাংবাদিক জুয়েল খন্দকারের বিরুদ্ধে কাউন্সিলর বাবুর মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে প্রতিবাদ সভা ময়মনসিংহে জলাবদ্ধতার কারণে বন্ধ হওয়ার পথে সাইফুল ফিলিং স্টেশন; সিটি কর্পোরেশনের দৃষ্টি আকর্ষণ ময়মনসিংহের বোররচর ইউনিয়নে চলছে রমরমা জুয়া খেলা প্রশাসনের হস্তক্ষেপ জরুরী দুর্নীতির সংবাদ প্রকাশে সড়কের শাহজাদার হুমকি ধামকির মোকাবিলা করবে সাংবাদিক সমাজ শেরপুরে পুলিশের এএসআই এর অঢেল সম্পদের পাহাড় আদালতের নির্দেশনায় তদন্ত করছে দুদক সাংবাদিকতায় দায়বোধের সীমানা এবং উইদাউট বর্ডার রাঙামাটি ছাত্রলীগের কমিটিতে অছাত্র বিবাহিত চাকরিজীবী টেন্ডারবাজ নিয়ে নতুন কমিটি গঠন ময়মনসিংহে মাদক মামলায় জামিনে এসে হাবিসহ দুই যুবকের রমরমা ইয়াবা ব্যবসা লুটপাট আর টাকা পাচারে কারা এগিয়ে “পারলে তারা গণমাধ্যমেরও কবর রচনা করতে চান” ময়মনসিংহের শুভ হত্যার মামলার ৬ আসামীর জামিন না মঞ্জুর করেছেন আদালত সিএমপি কমিশনার উপ-পুলিশ মহাপরিদর্শক সাইফুল ইসলাম যোগদান করলেন সাংবাদিকদের বিতর্কিত করায় লাকীর বিরুদ্ধে এক হাজার কোটি টাকার মানহানী মামলার ঘোষণা- বিএমইউজে শেরপুরে পাহাড়ী ঢলে ৩ উপজেলার বাঁধ ভেঙ্গে কমপক্ষে অর্ধশত গ্রাম পানিবন্দি বিএমইউজে’র ফেনী জেলা কমিটির সভাপতি সাঈদ খান সাধারণ সম্পাদক মাসুম বিল্লাহ ভূঁইয়া লায়লা কানিজ লাকী’র বক্তব্যে বিএমউজে’র নিন্দা; প্রতিবাদ সভা মানববন্ধনের ডাক লাকী‘র বেদবাক্যে অন্ধ বিশ্বাসীরা সাংবাদিকদের বিতর্কিত করতে বড়ই উৎসাহী বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ইউনিয়ন নওগাঁ জেলার সভাপতি খোরশেদ সম্পাদক হাবিব নির্বাচিত গোয়াইনঘাটে শ্যাম কালা ও রয়েলের নেতৃত্বে চলছে সীমান্তে চোরাচালান ব্যবসা গফরগাঁওয়ে বাঁশঝাড়ে কিশোরী প্রেমিকা ধর্ষণ প্রেমিককে গ্রেপ্তার মহানবী (সা.)-এর ঈদের প্রবর্তন ও বিদায় হজ্জের ভাষণ ছাগলকান্ডে আলোচিত মতিউরকে সরিয়ে যাদের স্থলাভিষিক্ত করা হয়েছে বাঙালির প্রতিটি অর্জনে আওয়ামী লীগ ওতপ্রোতভাবে জড়িত -শেখ হাসিনা ময়মনসিংহে নারীকে ধর্ষণের পর হত্যা আসামী গ্রেপ্তার; রহস্য উদঘাটনে কোতোয়ালী পুলিশ ছাগলই বিশাল সম্পত্তির ইতিবৃত্ত বের করে দিল রাজস্ব কর্মকর্তা মতিউর রহমানের  দুদকের মুখোমুখি ৪৩টি দপ্তরের সরকারি অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ময়মনসিংহে তরুনী গণধর্ষণ পূর্বক হত্যার রহস্য উদঘাটন করেছে কোতোয়ালী পুলিশ; গ্রেপ্তার-৩