খুঁজুন
শুক্রবার, ১৯ জুলাই, ২০২৪, ৪ শ্রাবণ, ১৪৩১

ময়মনসিংহে অনুমোদন ও মানহীন হাসপাতাল ক্লিনিকে রোগীরা প্রতারিত হচ্ছে 

শিবলী সাদিক খান
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২ এপ্রিল, ২০২৪, ৮:৫১ পিএম
ময়মনসিংহে অনুমোদন ও মানহীন হাসপাতাল ক্লিনিকে রোগীরা প্রতারিত হচ্ছে 

শিবলী সাদিক খানঃ

ময়মনসিংহ শহরের চরপাড়া, ব্রাহ্মপল্লী, ভাটিকাশর, বাঘমারাসহ বিভিন্ন এলাকার অলিগলিতে অসংখ্য বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার গড়ে উঠেছে। এর মধ্যে অনেক নিম্নমানের প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এগুলোতে চিকিৎসার নামে অপচিকিৎসার মাধ্যমে হাতিয়ে নেয়া হচ্ছে কাড়ি কাড়ি টাকা এছাড়াও অবৈধভাবে গড়ে উঠছে ক্লিনিক, ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও হাসপাতাল। অনুমোদনহীন ও মানহীন এসব ক্লিনিকে লাইসেন্স বছরের পর বছর নবায়ন হচ্ছে না। হাসপাতাল পরিচালনার অনুমোদন নিয়ে অনেকে ডায়াগনস্টিক সেন্টার খুলে বসেছেন।

বিভাগীয় তথ্য সূত্রে জানা যায় ময়মনসিংহে ২৫২টি হাসপাতাল ক্লিনিক অবৈধ রয়েছে এর গুটি কয়েক ক্লিনিক হাসপাতাল ডায়াগনস্টিক সেন্টারে অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, সরকারি হাসপাতালের একশ্রেণীর চিকিৎসককে কমিশনের ফাঁদে ফেলে রোগীকে ডায়াগনস্টিক সেন্টারে রোগ নির্ণয়ের বিভিন্ন পরীক্ষা করাতে বাধ্য করা হচ্ছে। এক্ষেত্রে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীরাই বেশি প্রতারিত হয় বলে অভিমত চিকিৎসকদের।

সূত্রে জানা যায়, বৃহত্তর ময়মনসিংহের প্রায় দুই কোটি মানুষের উন্নত চিকিৎসার ভরসাস্থল ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল। এছাড়া শেরপুর জামালপুর নেত্রকোনা গাজীপুর ও সুনামগঞ্জের কিছু মানুষ এখানে চিকিৎসা করাতে আসে। ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পাশাপাশি সরকারি হিসাবে দুই শতাধিক বৈধ ও অবৈধ হাসপাতাল, ক্লিনিক এবং ডায়াগনস্টিক সেন্টার রয়েছে। যার সবই নগরীর ব্যস্ততম চরপাড়ায় ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সামনে গড়ে উঠেছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আশপাশ বিশেষ করে নগরীর চরপাড়া, নয়াপাড়া, কপিক্ষেত, মাসকান্দা, বাঘমারা, ভাটিকাশর, কৃষ্টপুর, পাটগুদাম, রামকৃষ্ণমিশন রোড, সাহেব আলী রোড, চামড়া গুদাম ও কালীবাড়ী রোডসহ বিভিন্ন অলিগলিতে গড়ে উঠেছে প্রাইভেট হাসপাতাল, ক্লিনিক, ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও প্যাথলজি ল্যাব। আবাসিক ও বাণিজ্যিক এলাকায়ও রয়েছে অসংখ্য ক্লিনিক ও হাসপাতাল।

ময়মনসিংহ জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের দেয়া তথ্যমতে, নগরীতে প্রাইভেট হাসপাতাল ও ক্লিনিক রয়েছে প্রায় ২০০। কিন্তু বেসরকারি হিসাবে এই সংখ্যা কমপক্ষে দ্বিগুণ। সরকারি তালিকায় যেসব প্রাইভেট হাসপাতাল ও ক্লিনিক রয়েছে তাদের বেশির ভাগ বছরের পর বছর লাইসেন্স নবায়ন করছে না। হাসপাতাল পরিচালনার অনুমোদন নিয়ে অনেকে ডায়াগনস্টিক সেন্টার খুলে বসেছেন। এছাড়া এসব হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ল্যাবে নেই কোনো ডিপ্লোমাধারী টেকনিশিয়ান, নার্স ও প্রশিক্ষিত আয়া। সার্বক্ষণিক চিকিৎসক দেখানো হয় কেবল খাতায়, আয়াদের নার্সের পোশাক পরিয়ে রোগীর সঙ্গে প্রতারণা করা হচ্ছে। অনেক ল্যাবে ভুয়া রিপোর্ট দেয়ারও অভিযোগ রয়েছে। একজন চিকিৎসক বা পরীক্ষকের প্যাড ও সিল ব্যবহার করে রিপোর্ট দেয়া হচ্ছে অসংখ্য ডায়াগনস্টিক সেন্টার থেকে। বাস্তবে একজন পরীক্ষকের পক্ষে এত ল্যাবে গিয়ে এসব রিপোর্ট দেখা সম্ভব নয়।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ প্রাইভেট ক্লিনিক অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন ময়মনসিংহ জেলা শাখার সভাপতি ডা. হরিশংকর দাশ বলেন, ‘আমরা অনুমোদনহীন ক্লিনিক ও ল্যাব বন্ধ করার পক্ষে। স্বাস্থ্য বিভাগ চাইলে অনুমোদনহীন ও মানহীন হাসপাতাল ক্লিনিক সিলগালা করে দিতে পারে।’

ময়মনসিংহ জেলা সিভিল সার্জন ডা. মো. নজরুল ইসলাম বলেন, ‘স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে জেলার অনুমোদনবিহীন প্রাইভেট হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের তালিকা করা হচ্ছে। স্থানীয় প্রশাসনের সহায়তা নিয়ে তালিকা ধরে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের উপপরিচালক ডা. জাকিউল ইসলাম বলেন, ‘ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি ও আউটডোরে সাধ্য অনুযায়ী সর্বোচ্চ সেবা দেয়া হয়। এক হাজার শয্যার বিপরীতে তিন হাজার রোগী চিকিৎসা নিচ্ছেন প্রতিদিন। চিকিৎসকরা হাসপাতালের ভেতরে পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য লিখেন। কেউ জরুরি প্রয়োজনে বাইরে থেকে করালে আমরা নিষেধ করি না। কখনো কখনো বাইরের ডায়াগনস্টিক সেন্টারে পরীক্ষা করাতে হয়। তবে দালালের কারণে রোগীরা প্রতারিত হয়।’ সংশ্লিষ্ট স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নজরদারি প্রয়োজন মনে করছে সচেতন মহল।

বান্দরবানের পর্যটন বিকাশের লক্ষ্যে গণমাধ্যমকে একযোগে কাজ করার আহ্বান -আপেল মাহমুদ

সোহাগ আরেফিনঃ
প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুলাই, ২০২৪, ৪:২১ এএম
বান্দরবানের পর্যটন বিকাশের লক্ষ্যে গণমাধ্যমকে একযোগে কাজ করার আহ্বান -আপেল মাহমুদ

বান্দরবানের পর্যটন বিকাশের লক্ষ্যে গণমাধ্যমকে একযোগে কাজ করার আহ্বান -আপেল মাহমুদ

রুপের রানী বান্দরবানের পর্যটক স্পট গুলো থেকে সন্ত্রাসীদের অপরাধ দমন ও পর্যটকদের নিরাপত্তার জন্য প্রত্যেকটি পর্যটন কেন্দ্রে ট্যুরিস্ট পুলিশের ফোর্স বাড়ানো হবে। সেই সাথে বিভিন্ন স্থানে সিসি ক্যামেরার পাশাপাশি দিনের বেলায় ড্রোন ক্যামরা দিয়ে পর্যবেক্ষণের আওতায় নিয়ে এসে বান্দরবানকে স্মার্ট পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা হবে।

মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) সকালে জেলা পরিষদ সভা কক্ষে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন নবাগত ট্যুরিস্ট পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি আপেল মাহমুদ।

অতিরিক্ত ডিআইজি আপেল মাহমুদ বলেন, স্মার্ট নিরাপত্তা জোরদার করতে ট্যুরিস্ট পুলিশের ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পর্যটন স্পট থেকে পর্যটকরা যেন সরাসরি পুলিশের সেবা পেতে পারেন সেজন্য ইন্টারকম ও ইমার্জেন্সি বাটন স্থাপন করা হবে। বাটনে চাপ দিলে বেল বেজে উঠবে এবং তা শোনার সঙ্গে সঙ্গে হাজির হবে ট্যুরিস্ট পুলিশের টিম। যাতে চুরি, ছিনতাই, হারিয়ে যাওয়া জিনিসপত্রসহ একাধিক বিষয়ে সেবা নিশ্চিত করতে পুলিশের এই ব্যতিক্রম উদ্যোগ।

আপেল মাহমুদ আরো বলেন, টুরিস্ট পুলিশ বান্দরবান এর প্রতিটি পর্যটন কেন্দ্রে সকল প্রকার নিরাপত্তা জোরদার করতে আমরা সবসময় বদ্ধপরিকর।

স্পট গুলোতে কেউ নাশকতা বা চুরি ছিনতাই কবলে পরলে ইমার্জেন্সি কল সেন্টার থেকে সরাসরি সেবা গ্রহণ করতে পারবেন।

নির্দিষ্ট স্থানে দেওয়া বাটনে ক্লিক করলেই মুহূর্তের মধ্যেই পাওয়া যাবে পর্যটনসেবা।

স্তরে স্তরে পর্যটকদের জন্য সব ধরনের পরিকল্পনা গ্রহন করেছে ট্যুরিস্ট পুলিশ। এছাড়াও ভিন্ন পয়েন্টে ইন্টারকম ও ইমার্জেন্সি বাটন স্থাপন করা পরিকল্পনা গ্রহন করা হয়েছে। এর মাধ্যমে পর্যটকরা ট্যুরিস্ট পুলিশের কাছে অভিযোগ করতে পারবেন। একজন পর্যটক যেকোনো দুর্ঘটনা বা অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার কবলে নিজে পড়ুক বা অন্য কারও সমস্যা দেখতে পেয়ে শুধু একটা বাটনে ক্লিক করলেই ট্যুরিস্ট পুলিশ পৌঁছে যাবে সেখানে। তাই পর্যটন বিকাশে অগ্রগতির করার লক্ষ্যে একযোগে কাজ করার জন্য গণমাধ্যমকে পাশে থাকার আহ্বান তিনি।

“অভিভাবকহীন সন্তানদের থেকে রাষ্ট্রও যেন মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে”

সিনিয়র সাংবাদিক সাঈদুর রহমান রিমনঃ
প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুলাই, ২০২৪, ৪:০২ এএম
“অভিভাবকহীন সন্তানদের থেকে রাষ্ট্রও যেন মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে”

“অভিভাবকহীন সন্তানদের থেকে রাষ্ট্রও যেন মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে”

বৈষম্যের মাধ্যমে সৃষ্ট বঞ্চনা, নিপীড়নের ‘কোটা বিরোধী’ যৌক্তিক ও শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে নেমেছে লাখ লাখ শিক্ষার্থী। তারা আমাদেরই সন্তান। রোদে পুড়ে, বৃষ্টিতে ভিজে রাষ্ট্র আরোপিত অন্যায্যতার প্রতিবাদ জানাচ্ছে।

অনিশ্চিত ভবিষ্যতের চিন্তায় দিশেহারা শিক্ষার্থীরা বৈষম্য বিরোধী যে আন্দোলন সংগ্রাম শুরু করেছে সেখানে তারা অভিভাবকহীন। মিছিলের স্লোগান কী হওয়া উচিত- তা ঠিক করে দেয়ার মতো পরামর্শকও নেই তাদের। সে আন্দোলনে কোনো রাজনৈতিক ছায়া নেই, ভিনদেশি চক্রান্তেরও কোনো ছোঁয়া পড়েনি। সরকার, রাষ্ট্র, মহান মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতা করা তাদের লক্ষ্য উদ্দেশ্য নয়। এ আন্দোলনের মধ্য দিয়ে কেউ নেতা হয়ে উঠছে না, রাষ্ট্র ক্ষমতায় ভাগ বসানোরও কেউ নেই।

ন্যায্যতা প্রাপ্তির আর্তিকে স্লোগানে রুপ দিয়ে তারা রাস্তায় দাঁড়িয়েছে। বঞ্চিতরা বিনয়ে গদগদ হওয়ার পরিবর্তে হয়তো কথা বলছে প্রতিবাদী ভাষায়। এসব আন্দোলন, সংগ্রাম, বিক্ষোভ-প্রতিবাদ তো বাঙালিদের বীরত্বগাঁথা ঐতিহ্যেরই অংশ। তা সত্তেও কোমলমতি শিক্ষার্থীদের অহিংস আন্দোলনে সশস্ত্র প্রতিরোধের নৃশংসতা কেন? কেন ছাত্র-ছাত্রীদের রক্তে রঞ্জিত হবে ক্যাম্পাস থেকে রাজপথ? অতি সাধারণ দাবির কারণে কেন বইতে হবে লাশের ওজন? কেনইবা রাজাকারের ঘৃণ্য তকমা তাদের ললাটে এঁকে দিতে হবে?

আন্দোলন সংগ্রামের জ্বলন্ত অগ্নিশীখা থেকে জন্ম নেওয়া ঐতিহ্য গৌরবের ছাত্রলীগ হঠাত শিক্ষার্থীদের মুখোমুখি দাঁড়ালো কেন সে হিসেব অনেকেই মেলাতে পারছেন না। কোটা বিরোধী চলমান আন্দোলন নিশ্চিহ্ন করতে ছাত্রলীগকে যে কোনো পর্যায়ের বর্বরতা চালানোর নির্দেশটা এলো কোত্থেকে? আদালতের সিদ্ধান্তেই কোটা’র ভাগ্য নির্ধারন হোক কিংবা সে বিষয়ে সরকারের বিশেষ সহমর্মিতা থাকুক না থাকুক- সেই ব্যাপারে আমার মতামত প্রকাশে মোটেও উৎসাহ নেই আমার। তবে শান্তিপূর্ণ একটি আন্দোলনে দমন পীড়ন চালিয়ে ক্ষোভ আর ঘৃণার পাহাড় সৃষ্টির বিপক্ষে আমি। উন্নয়ন জোয়ারের দাবিদার দেশটিতে এহেন অপকর্মের খুবই কী দরকার ছিল?

একক জনপ্রিয়তার একতরফা শাসন ব্যবস্থায় বোবা-বধিরে রুপান্তরিত কোটি কোটি অভিভাবক জীবদ্দশাতেই নিজ সন্তানদের অসহায়ত্ব দেখতে পাচ্ছেন। দেখছেন, এ সন্তানদের পাশে কেউ দাঁড়াচ্ছে না। সচেতন দাবিদার পন্ডিতবর্গ, সুশীল সমাজ, সিনিয়র সিটিজেন কিংবা মুক্তিযুদ্ধের চেতনাধারী সম্মানীত নাগরিক, গর্বের প্রতীক- কেউ তাদের পাশে যায়নি, কেউ-ই না। অভিভাবকহীন লাখ কোটি সন্তানদের থেকে রাষ্ট্রও যেন মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে…

রাজশাহীতে এটিএন বাংলার সাংবাদিক সুজাউদ্দিন ছোটন বিরুদ্ধে হয়রানী মূলক মামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ

রাকিবুল হাসান আহাদঃ
প্রকাশিত: সোমবার, ১৫ জুলাই, ২০২৪, ৭:১৬ পিএম
রাজশাহীতে এটিএন বাংলার সাংবাদিক সুজাউদ্দিন ছোটন বিরুদ্ধে হয়রানী মূলক মামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ

রাজশাহীর তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে মর্যাদার সঙ্গে সাংবাদিকতায় যুক্ত থাকার এটিএন বাংলার সিনিয়র রিপোর্টার সুজাউদ্দিন ছোটনকে পূর্ব আক্রোশের জের ধরে চাঁদাবাজি ও যৌন হয়রানির মিথ্যা মামলা দায়েরের গুরুতর অভিযোগ পাওয়া গেছে। ছোটনের প্রতিবেদনে শাস্তি পাওয়া এক পুলিশ কর্মকর্তা নেপথ্য ইন্ধন দিয়ে নিজেরই সোর্স ব্যবহার করে তাকে এ মামলায় ফাঁসিয়েছেন বলে তথ্য বেরিয়েছে।

বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ইউনিয়ন (বিএমইউজে) অবিলম্বে সাজানো এ মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার করাসহ
মামলাবাজ চক্রটির ব্যাপারে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছে।

আজ (১৫ জুলাই, ২০২৪) সংগঠনটির সভাপতি আলহাজ্ব সোহেল আহমেদ ও সাধারণ সম্পাদক শিবলী সাদিক খান স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে বলা হয়, অতিউৎসাহী এক পুলিশ কর্মকর্তা নগরীর চিহ্নিত সুদ কারবারী, বহু মামলার আসামি আয়েশা আক্তার লিজাকে বাদী বানিয়ে সাংবাদিক ছোটনের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি মামলা করিয়েছে। একইসঙ্গে তার বিরুদ্ধে যৌন হয়রানি সংক্রান্ত আরেকটি মিথ্যা মামলা রুজু করে এর বাদী বানানো হয়েছে চিহ্নিত মামলাবাজ আরেক নারীকে। নিজেকে কথিত সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে

পুলিশের সোর্স হিসেবে দাপিয়ে বেড়ানো ওই নারীর নাম তাবাসসুম, তার বাসা রাজশাহী নগরীর চন্দ্রিমা থানার ভদ্রা জামালপুর মহল্লায়। তার দ্বারা বিভিন্ন সময় রাজশাহীর কর্মরত অন্তত আট জন সাংবাদিক মিথ্যা মামলায় সীমাহীন হয়রানি পোহাচ্ছেন বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিএমইউজে নেতৃবৃন্দ চিহ্নিত সুদখোর মহাজন ও বারবার যৌণ হয়রানির মামলা দায়েরকারী পেশাদার

মামলাবাজ দুই নারীর বিষয়ে তদন্তপূর্বক কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আরএমপি’র দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের প্রতি আহবান জানিয়েছেন। তারা বলেন, অহেতুক মামলা, হামলা, চক্রান্ত চালিয়ে পেশাদার সাংবাদিকদের হয়রানি করার অপকর্ম সফল হতে দেওয়া হবে না। সাংবাদিকদের নিরাপত্তা বিধান ও পেশাগত দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে সব ধরনের সহায়তা নিশ্চিতকরণে বিএমইউজে বৃহত্তর আন্দোলন গড়ে তুলতে সব সময় প্রস্তুত রয়েছে। আগামি সাত কর্ম দিবসের মধ্যে হয়রানিমূলক মামলার তৎপরতা বন্ধ করা না হলে অত্র সংগঠন রাজশাহীতে প্রতিবাদ সভা, মানববন্ধনসহ আন্দোলন কর্মসূচি ঘোষণা করতে বাধ্য হবে।

বান্দরবানের পর্যটন বিকাশের লক্ষ্যে গণমাধ্যমকে একযোগে কাজ করার আহ্বান -আপেল মাহমুদ “অভিভাবকহীন সন্তানদের থেকে রাষ্ট্রও যেন মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে” রাজশাহীতে এটিএন বাংলার সাংবাদিক সুজাউদ্দিন ছোটন বিরুদ্ধে হয়রানী মূলক মামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ গোহালকাঠীর রাস্তার বেহাল দশা; দেখার কেউ নেই কোটা বৈষাম্যের বিরুদ্ধে সিলেটে শিক্ষার্থীদের ১ দফা আন্দোলন সাংবাদিক জুয়েল খন্দকারের বিরুদ্ধে কাউন্সিলর বাবুর মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে প্রতিবাদ সভা ময়মনসিংহে জলাবদ্ধতার কারণে বন্ধ হওয়ার পথে সাইফুল ফিলিং স্টেশন; সিটি কর্পোরেশনের দৃষ্টি আকর্ষণ ময়মনসিংহের বোররচর ইউনিয়নে চলছে রমরমা জুয়া খেলা প্রশাসনের হস্তক্ষেপ জরুরী দুর্নীতির সংবাদ প্রকাশে সড়কের শাহজাদার হুমকি ধামকির মোকাবিলা করবে সাংবাদিক সমাজ শেরপুরে পুলিশের এএসআই এর অঢেল সম্পদের পাহাড় আদালতের নির্দেশনায় তদন্ত করছে দুদক সাংবাদিকতায় দায়বোধের সীমানা এবং উইদাউট বর্ডার রাঙামাটি ছাত্রলীগের কমিটিতে অছাত্র বিবাহিত চাকরিজীবী টেন্ডারবাজ নিয়ে নতুন কমিটি গঠন ময়মনসিংহে মাদক মামলায় জামিনে এসে হাবিসহ দুই যুবকের রমরমা ইয়াবা ব্যবসা লুটপাট আর টাকা পাচারে কারা এগিয়ে “পারলে তারা গণমাধ্যমেরও কবর রচনা করতে চান” ময়মনসিংহের শুভ হত্যার মামলার ৬ আসামীর জামিন না মঞ্জুর করেছেন আদালত সিএমপি কমিশনার উপ-পুলিশ মহাপরিদর্শক সাইফুল ইসলাম যোগদান করলেন সাংবাদিকদের বিতর্কিত করায় লাকীর বিরুদ্ধে এক হাজার কোটি টাকার মানহানী মামলার ঘোষণা- বিএমইউজে শেরপুরে পাহাড়ী ঢলে ৩ উপজেলার বাঁধ ভেঙ্গে কমপক্ষে অর্ধশত গ্রাম পানিবন্দি বিএমইউজে’র ফেনী জেলা কমিটির সভাপতি সাঈদ খান সাধারণ সম্পাদক মাসুম বিল্লাহ ভূঁইয়া লায়লা কানিজ লাকী’র বক্তব্যে বিএমউজে’র নিন্দা; প্রতিবাদ সভা মানববন্ধনের ডাক লাকী‘র বেদবাক্যে অন্ধ বিশ্বাসীরা সাংবাদিকদের বিতর্কিত করতে বড়ই উৎসাহী বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ইউনিয়ন নওগাঁ জেলার সভাপতি খোরশেদ সম্পাদক হাবিব নির্বাচিত গোয়াইনঘাটে শ্যাম কালা ও রয়েলের নেতৃত্বে চলছে সীমান্তে চোরাচালান ব্যবসা গফরগাঁওয়ে বাঁশঝাড়ে কিশোরী প্রেমিকা ধর্ষণ প্রেমিককে গ্রেপ্তার মহানবী (সা.)-এর ঈদের প্রবর্তন ও বিদায় হজ্জের ভাষণ ছাগলকান্ডে আলোচিত মতিউরকে সরিয়ে যাদের স্থলাভিষিক্ত করা হয়েছে বাঙালির প্রতিটি অর্জনে আওয়ামী লীগ ওতপ্রোতভাবে জড়িত -শেখ হাসিনা ময়মনসিংহে নারীকে ধর্ষণের পর হত্যা আসামী গ্রেপ্তার; রহস্য উদঘাটনে কোতোয়ালী পুলিশ ছাগলই বিশাল সম্পত্তির ইতিবৃত্ত বের করে দিল রাজস্ব কর্মকর্তা মতিউর রহমানের